হোম / দলিল / সাফ কবলা

সাফ কবলা (বিক্রয় দলিল): জমি কেনাবেচার মূল দলিল

বিক্রেতা যখন দাম নিয়ে জমির মালিকানা ক্রেতাকে পুরোপুরি হস্তান্তর করেন, তখন এই দলিল করা হয়।

এই দলিল কী ও কখন লাগে

সাফ কবলা হলো জমি কেনাবেচার মূল দলিল। বিক্রেতা টাকা বুঝে নিয়ে জমির সম্পূর্ণ মালিকানা ক্রেতাকে ছেড়ে দেন। আইন অনুযায়ী এটি সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে রেজিস্ট্রি করতে হয়। রেজিস্ট্রি ছাড়া এই দলিল আইনত পূর্ণ মালিকানার প্রমাণ নয়।

কখন লাগে

  • জমি বা বাড়ি কেনার সময়
  • বায়নানামার পর চূড়ান্ত বিক্রির সময়
  • শরিকের অংশ কিনে নেওয়ার সময়

কী কী কাগজ লাগবে

  • বিক্রেতার খতিয়ান (সিএস, এসএ, আরএস, বিআরএস ও নামজারি খতিয়ান)
  • আগের দলিল বা বায়া দলিল, যাতে মালিকানার ধারাবাহিকতা দেখা যায়
  • হালনাগাদ খাজনার দাখিলা
  • উভয় পক্ষের জাতীয় পরিচয়পত্র ও ছবি
  • উত্তরাধিকারসূত্রের জমি হলে ওয়ারিশ সনদ ও মৃত্যু সনদ
  • জমির তফসিল: জেলা, উপজেলা, মৌজা, দাগ নম্বর, খতিয়ান নম্বর ও পরিমাণ
  • সাক্ষীর তথ্য (জাতীয় পরিচয়পত্রসহ)

জেলা ও সাব-রেজিস্ট্রি অফিসভেদে বাড়তি কাগজ চাওয়া হতে পারে। কাগজের ছবি পাঠালে আমরা আগেই বলে দেব কী বাকি।

কত দিনে হবে

কাগজ ঠিক থাকলে সাধারণত ১-২ দিনে খসড়া তৈরি হয়। রেজিস্ট্রির দিন নির্ভর করে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের সময়সূচির উপর। রেজিস্ট্রির পর নামজারির আবেদন করুন, নইলে খতিয়ানে নাম উঠবে না।

সতর্কতা ও পরামর্শ

কেনার আগে জমির খতিয়ান, দাগ ও দখল নিজে যাচাই করুন। যাচাইয়ের ধাপ: জমি কেনার আগে ৫টি কাজ।
সব শরিকের সম্মতি আছে কি না নিশ্চিত হোন। একজন ওয়ারিশ বাদ থাকলে পরে মামলা হতে পারে।
দলিলে দাম ও পরিমাণ সঠিক লিখুন। ভুল তথ্য পরে নামজারি ও বিক্রিতে বাধা হয়।
রেজিস্ট্রির আগে পুরো টাকা বা অগ্রিম কাউকে দেবেন না, রসিদ ও সাক্ষী ছাড়া নয়।

খরচের আনুমানিক হিসাব দেখুন দলিল ফি ক্যালকুলেটরে।