হোম / দলিল / বণ্টননামা

বণ্টননামা: ওয়ারিশদের মধ্যে জমি ভাগাভাগি

মালিকের মৃত্যুর পর ওয়ারিশরা নিজেদের মধ্যে জমি ভাগ করে আলাদা আলাদা দখল নিলে এই দলিল করা হয়।

এই দলিল কী ও কখন লাগে

একটি খতিয়ানে কয়েকজন শরিক থাকলে প্রত্যেকের হিস্যা কাগজে ঠিক থাকে, কিন্তু মাঠে কে কোন অংশ ভোগ করবেন তা ঠিক থাকে না। বণ্টননামায় লেখা হয় কে কোন দাগের কোন অংশ পাচ্ছেন। এর পর প্রত্যেকে নিজের নামে আলাদা নামজারি করাতে পারেন।

কখন লাগে

  • বাবা-মায়ের মৃত্যুর পর ভাইবোনদের মধ্যে ভাগে
  • জমি আলাদা করে বিক্রি বা বসতবাড়ি করতে চাইলে
  • ভবিষ্যতে বিরোধ এড়াতে লিখিত ভাগ চাইলে

কী কী কাগজ লাগবে

  • মৃত মালিকের খতিয়ান, দলিল ও দাখিলা
  • ওয়ারিশ সনদ ও মৃত্যু সনদ
  • সব ওয়ারিশের জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন ও ছবি
  • কে কত অংশ পাবেন, তার হিসাব (ফারায়েজ ক্যালকুলেটর)
  • জমির তফসিল ও ভাগের নকশা
  • সাক্ষীর তথ্য

জেলা ও সাব-রেজিস্ট্রি অফিসভেদে বাড়তি কাগজ চাওয়া হতে পারে। কাগজের ছবি পাঠালে আমরা আগেই বলে দেব কী বাকি।

কত দিনে হবে

ওয়ারিশদের মতামত মিললে সাধারণত ২-৩ দিনে খসড়া। মাঠে মাপ লাগলে বাড়তি সময় লাগে।

সতর্কতা ও পরামর্শ

সব ওয়ারিশের সম্মতি ও স্বাক্ষর ছাড়া বণ্টন টেকে না। কেউ বাদ গেলে মামলা হতে পারে।
অংশ ভাগ হবে ফারায়েজ বা প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী। হিসাব আগে মিলিয়ে নিন।
মাঠে ঠিক কোন জায়গা কে পাচ্ছেন, নকশাসহ লিখুন। সীমানা: সীমানা নির্ধারণ।
দলিলের পর প্রত্যেকে নিজের নামে নামজারি করান।