১. মৃত ব্যক্তি ও ওয়ারিশ
যে ওয়ারিশ জীবিত আছেন, তাঁর ঘরে + চেপে সংখ্যা দিন। না থাকলে ০ রাখুন।
আগেই মারা গেছেন এমন সন্তানের সন্তান
মৃত ব্যক্তির আগে কোনো পুত্র বা কন্যা মারা গিয়ে থাকলে, তাঁর সন্তানেরা (নাতি-নাতনি) বাবা বা মায়ের অংশ পান। এমন সন্তান থাকলে এখানে যোগ করুন (জীবিত পুত্র-কন্যা উপরে আলাদা ঘরে)।
সম্পত্তির পরিমাণ (ঐচ্ছিক)
দিলে প্রত্যেকের জমি বা টাকার অঙ্ক দেখাবে।
সর্বোচ্চ অবশিষ্টের ১/৩
বাদ দেওয়ার তিনটি খাতই একই এককে দিন। ক্রম: কাফন-দাফন, ঋণ, তারপর ওসিয়ত (১/৩ পর্যন্ত), শেষে ওয়ারিশদের মধ্যে ভাগ।
২. ফলাফল
মৃত ব্যক্তি হিন্দু পুরুষ ধরা হয়েছে। বাংলাদেশে হিন্দু উত্তরাধিকার মূলত দায়ভাগা রীতি ও ১৯৩৭ সালের হিন্দু নারীর সম্পত্তির অধিকার আইনে চলে। কোনো লিখিত পূর্ণ আইন নেই, তাই এটি শুধু সরল ধারণা।
১. ওয়ারিশ
সম্পত্তির পরিমাণ (ঐচ্ছিক)
দিলে প্রত্যেকের জমি বা টাকার অঙ্ক দেখাবে।
২. ফলাফল
হানাফী ফারায়েজের মূল অংশ
| ওয়ারিশ | কত পান |
|---|---|
| স্বামী | সন্তান না থাকলে ১/২, থাকলে ১/৪ |
| স্ত্রী (এক বা একাধিক মিলে) | সন্তান না থাকলে ১/৪, থাকলে ১/৮ |
| পিতা | পুত্র থাকলে ১/৬। শুধু কন্যা থাকলে ১/৬ ও অবশিষ্ট। সন্তান না থাকলে অবশিষ্ট সবটা |
| মাতা | সন্তান বা দুই বা বেশি ভাই-বোন থাকলে ১/৬, নইলে ১/৩ |
| কন্যা | পুত্র না থাকলে একজন ১/২, দুই বা বেশি মিলে ২/৩। পুত্র থাকলে পুত্রের অর্ধেক |
| সহোদর বোন | একা ১/২, দুই বা বেশি ২/৩ (সন্তান, পিতা, দাদা না থাকলে) |
| বৈপিত্রেয় (মাতা এক) ভাই-বোন | একজন ১/৬, একাধিক মিলে ১/৩, সমান ভাগে |
সম্পত্তির চেয়ে অংশ বেশি হলে সবার অংশ আনুপাতিক কমে (আউল)। কিছু বাকি থাকলে এবং অবশিষ্টভোগী না থাকলে স্বামী-স্ত্রী ছাড়া ভগ্নাংশভোগীদের মধ্যে ফেরত যায় (রদ)।
ভাগের আগে যা বাদ যায়
- কাফন-দাফনের খরচমৃত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে সবার আগে।
- ঋণমৃত ব্যক্তির সব দেনা শোধ।
- ওসিয়তঅবশিষ্টের সর্বোচ্চ এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত। বেশি হলে ওয়ারিশদের সম্মতি লাগে।
- ওয়ারিশদের ভাগবাকি সম্পত্তি ফারায়েজ অনুযায়ী।
মৃত সন্তানের সন্তান
মৃত ব্যক্তির আগে কোনো পুত্র বা কন্যা মারা গেলে, ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ অনুযায়ী তাঁর সন্তানেরা বাবা বা মায়ের প্রাপ্য অংশ পায়। এই ক্যালকুলেটরে "আগেই মারা গেছেন এমন সন্তানের সন্তান" অংশে তা যোগ করা যায়।