খাজনা কী
আগে একে বলা হতো খাজনা, এখন সরকারি নাম ভূমি উন্নয়ন কর। প্রতি বছর ভূমি অফিসের মাধ্যমে জমির মালিক এই কর দেন। কর দেওয়ার পর যে রসিদ পাওয়া যায়, তার নাম দাখিলা। দাখিলা প্রমাণ করে জমিটি কার দখলে আছে আর কর নিয়মিত দেওয়া হচ্ছে।
উদাহরণ
রহিম মিয়ার ২৮ শতাংশ ভিটা জমি (দাগ নং ৬১২)। প্রতি অর্থবছরে খতিয়ান নম্বর ধরে তাঁর কর নির্ধারণ হয়। কর পরিশোধ করলে তিনি অনলাইনে দাখিলা ডাউনলোড করতে পারেন। জমি বিক্রি, নামজারি বা ব্যাংক ঋণের সময় এই দাখিলা চাওয়া হয়।
আমরা যা করে দিই
অ্যাকাউন্ট খোলা ও যাচাই
ভূমি পোর্টালে আপনার অ্যাকাউন্ট খোলা ও ভেরিফাই।
অনলাইনে কর পরিশোধ
খতিয়ান যুক্ত করে অনলাইনে কর জমা।
দাখিলা PDF
রশিদ (দাখিলা) PDF করে আপনার হাতে।
বকেয়ার হিসাব
কয়েক বছর বাকি থাকলে মোট হিসাব বের করা।
অনলাইনে খাজনা দেওয়ার ধাপ
- নিবন্ধনldtax.gov.bd বা land.gov.bd-এ জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মতারিখ ও মোবাইল নম্বর দিয়ে নিবন্ধন, ওটিপি যাচাই।
- খতিয়ান যুক্ত করুননিজের খতিয়ান যুক্ত করলে ইউনিয়ন ভূমি অফিস যাচাই করে অনুমোদন দেয়।
- কর দেখুনকত টাকা, কোন বছরের বকেয়া আছে, দেখে নিন।
- পরিশোধবিকাশ, নগদ, রকেট, উপায় বা কার্ডে অনলাইনে জমা।
- দাখিলা নামানপরিশোধ হলে দাখিলা PDF ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করুন।
কবে ও কীভাবে হিসাব
কবে দিতে হয়
করের হিসাব জুলাই থেকে জুন, অর্থাৎ সরকারি অর্থবছর ধরে। বছর শেষের আগে দেওয়াই নিরাপদ।
বকেয়া থাকলে
পরপর কয়েক বছর না দিলে বকেয়া জমে, জরিমানা বা সুদ যোগ হতে পারে। নামজারি ও জমি বিক্রিতেও সমস্যা হয়।
কর মওকুফ
পরিবারভিত্তিক কৃষিজমি নির্দিষ্ট পরিমাণ (সাধারণত ২৫ বিঘা) পর্যন্ত হলে কর মওকুফের বিধান আছে। তবে রেকর্ড অনুযায়ী যাচাই জরুরি।
দাখিলা কোথায় লাগে
নামজারি, জমি বিক্রি, ব্যাংক ঋণ, মামলা ও দখলের প্রমাণ দেখাতে।
ভূমি পোর্টালে অ্যাকাউন্ট নেই?
নিবন্ধন, ওটিপি যাচাই ও অ্যাকাউন্ট ভেরিফাই আমরা করে দিই।